Alapon

হিন্দির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারতে ভাষা আন্দোলন...


‘আমরাই একমাত্র ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি’ এই গর্বের দাবিটি আমাদের ইতিহাস পাঠের দৌড় দেখিয়ে দেয়। না, ভাষার জন্য বাঙ্গালিরাই একমাত্র জীবন দেয়নি। আরো অনেক জাতিকে ভাষার জন্য জীবন দিতে হয়েছে।

ভারতের তামিলভাষীরা হিন্দির আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে। সেই আন্দোলনে নিহত হয় সত্তরজনের বেশি আন্দোলনকারী। বায়ান্নর বাংলা ভাষা আন্দোলনে নিহতের চেয়ে তামিল ভাষা আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা দশ-বারোগুণ বেশি ছিলো। তারমধ্যে কয়েকজন ভাষার জন্য আত্মহত্যা করে। ভাষার জন্য আত্মহত্যার ইতিহাস পৃথিবীতে বিরল।

১৯৩৭ সালে কংগ্রেস নির্বাচনে জয়লাভ করে ভারতের একটা সরকারি ভাষা প্রচলনের সিদ্ধান্ত নেয়। চক্রবর্তী রাজা গোপাল আচারী পাঠ্যপুস্তকের ভাষা হিশেবে হিন্দিকে গ্রহণ করার প্রস্তাব তোলেন। কংগ্রেসের বেশিরভাগ নেতৃবৃন্দ তার প্রস্তাবে সায় দেন। কারণ, কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বেশিরভাগ ছিলেন হিন্দিভাষী।

কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে ভারতের অন্যভাষী লোকেরা। বিশেষ করে তামিলনাডুর জনগণ। তামিলনাডুতে তখন ৭১% লোকের মাতৃভাষা ছিলো তামিল [১]। হিন্দিকে যদি পাঠ্যপুস্তকের ভাষা হিশেবে নেয়া হয় তাহলে তামিলভাষীরা নতুন করে হিন্দি ভাষা শিখতে হবে। ৭১% তামিলভাষীদের উপর একটি ‘নতুন ভাষা’ কেন চাপানো হবে এই নিয়ে তারা বিক্ষোভ করে।

তামিলনাডুর জনগণ তামিলভাষীদের নিয়ে গড়ে তোলে ‘Anti-Hindi Command’. ৩ জানুয়ারি ১৯৩৮ সালে তামিলভাষীরা হিন্দি ভাষাকে পাঠ্যপুস্তকের ভাষা প্রস্তাবকারী রাজা গোপাল আচারীর বাসভবন ঘেরাও করে। হিন্দিকে পাঠ্যপুস্তকের ভাষা করার প্রস্তাবটি বাতিল করার জন্য তারা স্লোগান দেয়।

দিনদিন তাদের আন্দোলনটি শক্তিশালী হয়ে উঠে। আন্দোলনকারীদের দমন করার চেষ্টায় পুলিশ মাঠে নামে। পুলিশ ভেবেছিলো আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করে পরিস্থিতি সামাল দিবে। যেই হিন্দি ভাষার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামছে, পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে লাগলো।

১৯৩৯ সাল পর্যন্ত পুলিশ ১১৯৮ জন আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া ১১৯৮ জনের মধ্যে ৭৩ জন ছিলেন নারী। তারমধ্যে ৩২ জন শিশু তাদের মায়েদের সাথে জেলে যায় [২]।

এ থেকেই বুঝা যায় তামিলনাডুর লোকদের আন্দোলনটি কতোটা প্রাণের দাবি ছিলো। মায়েরা দুধের সন্তান নিয়ে পর্যন্ত আন্দোলনে যোগ দেয়।

আন্দোলনকারীদের গ্রেফতার করা হয় বিক্ষোভকে দমিয়ে রাখতে। কিন্তু হিতে বিপরীত হয়। ১৯৩৯ সালে দুই আন্দোলনকারী পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুবরণ করলে তামিলদের এ আন্দোলন আরো তীব্রতর হয়ে উঠে। বিক্ষোভের উত্তেজনা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের চাপের মুখে পড়ে সরকার পাঠ্যপুস্তকে আবশ্যিক হিন্দি ভাষার আদেশটি প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়। মাদ্রাজের ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড আর্সকিন ১৯৪০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গোপাল আচারীর আদেশটি প্রত্যাহার করে নেন।

কিন্তু কংগ্রেস সরকার সাময়িকভাবে পিছু হটলেও ক্ষান্ত হয়নি। এরপর তারা ১৯৪২ ও ১৯৪৬ সালে আরো দুইবার তারা দক্ষিণ ভারতের স্কুল পাঠ্যক্রমে হিন্দিকে বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা করে। দুইবারই তামিলদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

ভারত স্বাধীন হবার আগে ‘স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রভাষা কী হবে?’ এই প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। হিন্দিভাষী কংগ্রেসের অনেক নেতা হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন- আলগু রায় শাস্ত্রী, আর. ভি. দুলেকার, বলকৃষ্ণ শার্মা, পুরুষ উত্তম দাস, বাবুনাথ গুপ্ত, হরি বিনয়ক পতস্কর, রবি শংকর শুকলা, শিথ গোবিন্দ দাস। ভারতের রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে তাদের বক্তব্য ছিলো- হিন্দি এবং একমাত্র হিন্দিই হবে ভারতের রাষ্ট্রভাষা [৩]।

অথচ তখনও ভারতের বেশিরভাগ লোকেরা ভাষা হিন্দি ছিলো না। হিন্দি ভাষাকে যিনি পাঠ্যপুস্তকের ভাষা করার প্রস্তাব দেন তিনি নিজেও এই বিষয়টি স্বীকার করে বলেন- “…it is well known by now the Hindi is not the language of the majority of our people…Hindi is, at best the language of a large minority.[৪]”

ভারতের সাবেক এমপি আর. ভি. দুলেকার ১৯৪৬ সালের ১০ ডিসেম্বর হিন্দিকে ভারতের রাষ্ট্রভাষা করার জন্য প্রয়োজনে অন্যদেরকে ভারত ছাড়ের কথা বলেন। তিনি বলেন, “যারা হিন্দি জানে না, তাদের ভারতে থাকার কোনো অধিকার নেই। আর হিন্দি জানে না এমন কেউ ভারতের সংসদ সদস্য হতে পারবে না। তারা যেন ভারত ছেড়ে চলে যায় [৫]।”


ভারত হলো বহুভাষীদের দেশ। ভারত স্বাধীন হলে ভাষার প্রশ্নে ভারত যাতে আভ্যন্তরীণ তোপের মুখে না পড়ে সেজন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনটির নাম মুন্সী-আয়ঙ্গর কমিশন। তিন বছর পর কমিশনটি ১৯৪৯ সালে একটা সমাধানে পৌঁছে [৬]।

১। একটি নির্দিষ্ট ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার পরিবর্তে হিন্দি এবং ইংরেজিকে ভারতের ‘অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ’ ঘোষণা করা হয় [৭]। বৃটিশদের শাসনামলে দীর্ঘদিন ভারতের রাষ্ট্রভাষা ছিলো ইংরেজি। সেই হিশেবে হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজি।

২। পনেরো বছর পর যখন ইংরেজি ভাষার আধিপত্য কমানো হবে, তখন হিন্দি ভাষাই হবে ভারতের রাষ্ট্রভাষা।
ভারত স্বাধীন হয় ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সালে আর ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০ সালে। পনেরো বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৫ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে হিন্দি হবে ভারতের রাষ্ট্রভাষা।

হিন্দিভাষী অনেক নেতা হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজিকে ‘অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ’ হিশেবে মেনে নিতে পারেননি। তাদের মত ছিলো একমাত্র হিন্দিই হবে ভারতের রাষ্ট্রভাষা। জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি ছিলেন এই মতের উপর অটল [৮]।

কথার ছলচাতুরী (রাষ্ট্রভাষার জায়গায় দাপ্তরিক ভাষা) দিয়ে ভারত সরকার চেয়েছিলো ভাষার প্রশ্নে জনগণকে দাবিয়ে রাখবে। পনেরো বছরের মধ্যে ইংরেজি প্রভাব কাটিয়ে উঠার জন্য সরকার আস্তে আস্তে অফিস-আদালতকে হিন্দিকরণ শুরু করে। ১৯৫২ সালের ২৭ মে বিচারক নিয়োগের পরোয়ানাকে হিন্দিকরণ করা হয়। ১৯৫৫ সালে সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয় এবং কেন্দ্রীয় সরকারের সবগুলো বিভাগে হিন্দি প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর সরকার হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজিকে ইউনিয়নের বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহার শুরু করে [৯]।


সরকারের প্ল্যানটি অ-হিন্দিভাষীরা বুঝতে পারে। আবার সবাই ঐক্য গড়ে তোলে। তামিলনাডুর নেতা আন্না দুরাই এর আগে ১৯৩৭ সালের আন্দোলনে গ্রেফতার হয়েছিলেন। আবারো হিন্দির আগ্রাসন দেখে তিনি মুখ খুলেন।

আন্না দুরাই বলন, “একটি অঞ্চলের ভাষাকে গোটা দেশের উপর চাপিয়ে দেয়া সম্পূর্ণ স্বৈরাচারী আচরণ। আমি বিশ্বাস করি যে, এটি একটি অঞ্চলের মানুষের আধিপত্যকে প্রতিষ্ঠা করবে। এর ফলে হিন্দি ভাষাভাষীরা আমাদের উপর কর্তৃত্ব করবে। নিজ দেশে আমাদের অবস্থা হবে তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিকের মতো।”

সংখ্যার বিচারে রাষ্ট্রভাষা রাষ্ট্রভাষা নির্ধারণের সমালোচনা করে আন্না দুরাই লিখেন “সংখ্যার আধিক্যকে মাপকাঠি ধরে যদি আমরা সবকিছু করতে যাই, তাহলে জাতীয় পাখি ময়ূর না হয়ে কাক হতো [১০]!”


তামিলনাডুর জনগণ সরকারের হিন্দি ভাষার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠে। নিজেদের স্বকীয়তা ধরে রাখার জন্য তারা আবার আন্দোলন শুরু করে।
১৯৬০ সালে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সংগঠন Dravida Munnetra Kazhagam (DMK) এর অধীনে এক হিন্দি বিরোধী সমাবেশে প্রায় এক লাখ লোক জমায়েত হয়। এমন পরিস্থিতি দেখে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নেহেরু দ্রুত তামিল নেতৃবৃন্দের কাছে বার্তা পাঠান যে, হিন্দি আগ্রাসন বন্ধ হবে। অন্য ভাষাভাষীরা যতদিন না চাইবে ততদিন হিন্দি একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে না।


১৯৬৪ সালের ২৭ মে জওহরলাল নেহেরু মারা যাবার পর ভারতের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। নেহেরু আন্দোলনকারীদের সাথে আপোষ করলেও লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এসে আর আপোষের দিকে আগালেন না। হিন্দির পক্ষ নিয়ে তিনি বলেন, সংবিধানে যেমন ছিলো তেমনই থাকবে। ঐদিকে ২৬ জানুয়ারি ১৯৬৫ আসতেও বেশিদিন নেই।

১৯৬৪ সালে চিন্নাস্বামী নামের ব্যক্তি গায়ে পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যা করেন। আত্মহত্যার আগে স্লোগান দেন- “তামিল জিন্দাবাদ, হিন্দি নিপাত যাক”। ১৯৬৫ সালের আগ পর্যন্ত আরো ছয়জন ভাষার জন্য আত্মহত্যা করেন।

পত্রপত্রিকায় এ ঘটনাগুলো প্রচারিত হলে তুমুল আলোচনার সৃষ্টি হয়। তামিলনাডুর লোকেরা আবার আন্দোলন শুরু করলো। ২৬ জানুয়ারির প্রজাতন্ত্র দিবসকে তারা ‘শোক দিবস’ ঘোষণা করলো। বিভিন্ন জায়গা ছাত্ররা সংঘবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলে [১১]।

দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসকে শোক দিবস বলাকে সরকার ‘ব্লাসফেমি’ আখ্যা দেয়। প্রয়োজনে যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়ে ছাত্রদেরকে হুমকি দেয়। ছাত্ররা সরকারের হুমকি উপেক্ষা করে ২৫ জানুয়ারি আন্না দুরাইর নেতৃত্বে আন্দোলনে নেমে পড়ে। পুলিশ আন্না দুরাইসহ তিন হাজার ডি.এম.কে কর্মীদের সেদিন গ্রেফতার করে [১২]।

নেতা-কর্মী গ্রেফতার হওয়া স্বত্বেও পরদিন মাদ্রাজের কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা আবার আন্দোলনে নামে। প্রায় ৫০,০০ শিক্ষার্থী নেপিয়ার পার্ক থেকে সরকারি অফিসের দিকে মার্চ করে [১৩]।

দুই সপ্তাহর আন্দোলনে সরকারি তথ্যমতে ৭০ জন আন্দোলনকারী নিহত হয় (বেসরকারি তথ্যমতে প্রায় ৫০০ জন)। অসংখ্য শিক্ষার্থী গ্রেফতার হয় [১৪]।

আন্দোলনকারীদের তোপের মুখে পড়ে ১১ ফেব্রুয়ারি লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর দুজন মন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হন [১৫]।


লাল বাহাদুর শাস্ত্রী তড়িঘড়ি করে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বেতার ভাষণে হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজির স্বীকৃতি প্রদান করেন। এভাবে তামিলভাষী মানুষের ইংরেজি ভাষা বাস্তবায়নের আন্দোলনের বিজয়ের ভেতর দিয়ে তামিলনাড়ু থেকে কংগ্রেস চিরতরে বিদায় হয়। ১৯৬৭ সালের নির্বাচনে ডিএমকে ক্ষমতায় আসে। এই রাজ্যে আর কখনো ক্ষমতার মুখ দেখেনি কংগ্রেস। তবে ২০০৪ সালে ভারতীয় সংসদের উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালাম ইতিহাসে প্রথম তামিলকে ধ্রুপদি ভাষা হিসেবে দেওয়া স্বীকৃতি ঘোষণা করেন [১৬]।


রেফারেন্সঃ
১। Census of India 1961, vol 1x, page 234

২। Women and Social Reform in Modern India, Sumit Sarkar, Tanika Sarkar. Indiana University Press, 2008. page, 396

৩। The Indian constitution: cornerstone of a nation, Austin, Granville (1966), page 277

৪। Hindi is at best, the language of a large minority,Rajaji, September 14, 1968.

৫। Constitution Assembly Debates-Official Report (New Delhi: Lok Sabha Secretariat, 1988), Volume 1, page 26-27

৬। The politics of India since independence, Paul R Brass,. (1994). . Cambridge University Press. Page 164.

৭। Language issue in the Indian Constituent Assembly: 1946–1950: rational support for English and non-rational support for Hindi, Kodanda Rao, Pandu Rangi (1969). International Book House. page. 44–46.

৮। The Hindu nationalist movement and Indian politics: 1925 to the 1990s, Christophe Jaffrelot (1996), C. Hurst & Co Publishers. p. 160

৯। "Sequence of Events with respect to the Official Language of the Union". Ministry of Home Affairs, Government of India. Archived from the original on 2 August 2011. Retrieved 24 November 2009.

১০। India after Gandhi: the history of the world's largest democracy, Ramachandra Guha (2008), page 393

১১। "The Riots in Tamilnad: Problems and Prospects of India's Language Crisis" Robert L. Hardgrave, (August 1965).. Asian Survey. University of California Press. . page 399–407

১২। Anna speaks at the Rajya Sabha, C.N Annadurai 1962–66. Orient Longman. page 77

১৩। Anna: The life and times of C. N. Annadurai, Kannan, R. (2010). Penguin Books, page 288

১৪। "The Riots in Tamilnad: Problems and Prospects of India's Language Crisis" Robert L. Hardgrave, (August 1965).. Asian Survey. University of California Press. . page 399–407

১৫। The puzzle of India's governance: culture, context and comparative theory., Subrata Kumar Mitra (2006), Routledge. pp. 118–120

১৬। ‘তামিলরা যেভাবে ভাষাশহীদ হয়েছিলেন’। মনোয়ারুল হক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, প্রথম আলো।

আরিফুল ইসলাম

পঠিত : ৭২ বার

ads

মন্তব্য: ০