Alapon

যা কিছু চাই আল্লাহ সব দেন না কেন...?



আপনি রাতে ঘুমোতে গেলেন হঠাৎ ১ থেকে ২ ঘণ্টা পর আপনার শরীর কেমন যেন করছে।
তারপর ধীরে ধীরে দেখছেন আপনি দূর্বল হয়ে পড়ছেন এবং শরীর, হাত,পা,মাথা সব ব্যাথা করতে শুরু করল এবং দেখছেন আপনার শরীর প্রচন্ড তাপে ভরে গেছে তারপর আপনি বুঝতে পারলেন আপনার জ্বর হয়েছে।

তখন আপনি ভাবতে শুরু করলেন কীভাবে কাটাবো এই দীর্ঘ রাত?কীভাবে সহ্য করব এত কষ্ট এতক্ষণ ধরে?
কীভাবে কী করব?
কষ্ট যে আর সহ্য হচ্ছে না!কী করব? শরীরের ব্যাথা তো কমছেই না!
এই দীর্ঘ রাতে এতক্ষণ ধৈর্য ধরে থাকা যায়?
কিন্তু আপনি জানেন আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন আর এই ধৈর্য ধরার ফলে হয়ত আপনার জন্য কিছু ভালো অপেক্ষা করছে?

হয়ত আপনি এই দীর্ঘ রাত টা তীব্র অসুস্থতায় কাটিয়ে দেওয়ার ফলে আপনার সকল সগীরাহ গোনাহ গুলো মাফ হয়ে গেলো আর সকল সগীরা গোনাহ গুলো মাফ হওয়ারই কথা কারণ আপনি এই দীর্ঘ রাতটা অসুস্থতায় কাটালেন আর হ্যা, এটা তো আল্লাহই দিয়েছেন যাতে আপনার গোনাহ গুলো আল্লাহ মাফ করে দেন এর ফলে আখিরাতের জীবনে যাতে আপনার সুবিধা হয়।

এই দীর্ঘ রাট টা অসুস্থতায় কাটিয়ে দেওয়ার ফলে হয়ত আখিরাতের লাইফের কোনো কঠিন গোনাহ থেকে আপনি বেচে গেলেন। মনে রাখবেন, আপনি যা ভালোবাসেন আল্লাহ তা আপনাকে দিতে চান না,কেন জানেন?

কারণ, আল্লাহ আপনাকে ভালোবাসে তাই।আর এই কথার সর্বোত্তম উদাহরণ হলো অসুস্থতার উদাহরণ। অসুস্থতা কেউই ভালোবাসে না কিন্তু এই অসুস্থতায় হয়ত কোনো গোনাহের জন্য আখিরাতের কঠিন শাস্তি থেকে বাচিয়ে দিলো। আর অসুস্থতা সগীরাহ গোনাহ সমূহ দূরীভূত করো থাকে তাই মাঝে মধ্যে অসুস্থতাকেউ ভালোবাসা উচিত আমাদের।

"হ্যা,হয়ত কেউই ভালোবাসেনা অসুস্থতাকে কিন্তু বললাম না "আমি যা ভালোবাসি আল্লাহ তা আমায় দিতে চান না,কারণ আল্লাহ আমায় ভালোবাসেন।এই কথাটা মস্তিষ্কে সেভ করে রাখতে পারেন পেনড্রাইভের মতো করে। এই কথাটা আসলে অনেক কাজের।

এই কথাটার আরেকটা উদাহরণ দেওয়া যায় যে আপনি হয়ত গরীব তাই জন্য আপনার আক্ষেপের শেষ নাই কিন্তু পরক্ষণেই ভাবলেন যে যারা ধনী তাদের তো ইসলামিক আইন কানুন গরীবদের থেকে বেশি মানতে হয়।যেমন ধনীদের যাকাত ফরজ,ধনীদের হজ্জ ফরজ এগুলে তো আমাদের ফরজ না তখনই আপনি এই লাইন টা ভাবলেন আপনি যা ভালোবাসেন আল্লাহ তা আপনাকে দিতে চান না কারণ আল্লাহ আপনাকে ভালোবাসেন।
তো এই লাইনটার সাপেক্ষেই বলছি যে মাঝে মধ্যে অসুস্থতা কে ভালোবাসা উচিত।

এই কথাটা যদি আমি পাবলিকলি বলি তাহলে মানুষ আমায় হয়ত পাগলে বলবে কিন্তু যারা যানেন যে অসুস্থততার ফলে গোনাহ উপশম হয় তারা পাগল ভাববে না আর যারা দীনদার তারাও ভাববে না কারণ তাদের ক্রাইটেরিয়া থাকে আখিরাতে ভালো থাকা দুনিয়াতে নয়।
"হ্যা,দুনিয়াতে স্বাভাবিক ভাবে থাকা আর আখিরাতে মজ মাস্তি করা।

হযরত আবু দারদা(রাঃ) অসুস্থতাকে ভালোবাসতেন। তিনিই বলেছেন আমি অসুস্থততাকে ভালোবাসি যাহাতে উহার দ্বারা আমার গোনাহ মাফ হইয়া যায়। আমাদের ও উচিত অসুস্থতাকে ভালোবাসা হয়ত আমরা সবসময় ভালোবাসতে পারব না কিন্তু মাঝে মধ্যে অসুস্থততাকে ভালোবাসা উচিত যাতে আমাদের গোনাহ মাফ হয়।

- নাভিদ

পঠিত : ৬০ বার

ads

মন্তব্য: ০