Alapon

ইসলাম দায়িত্বজ্ঞানহীন সেক্সুয়ালিটিকে প্রত্যাখ্যান করে।



আপনি সেক্স করবেন একটা মেয়ের সঙ্গে, কিন্তু তার ভরন পোষন করবেন না, তার নিরাপত্তার দেখভাল করবেন না, সে সন্তান সম্ভবা হলে তার খেয়াল রাখবেন না, যে সন্তান হল, সে সন্তানের লালন পালন, শিক্ষা থেকে একেবারে বিয়ে ও উত্তরাধিকার পর্যন্ত অংশগ্রহন করবেন না, মেয়েটার ভাল মন্দের খোজ নেবেন না, আনন্দ বেদনার ভাগ নেবেন না, এইগুলার সুযোগ ইসলামে নাই।

দিস ইজ হোয়াই, ইসলাম বিয়ে এবং পরিবারকে এত গুরুত্ব দেয়।
এখন এই যে দায়িত্বগুলি ইসলাম আরোপ করে পুরুষের ওপরে, এই দায়িত্বগুলি পালন সাপেক্ষে সে নারীর দায়িত্বশীল, নেতা এবং অভিভাবক। এই অভিভাবকত্ব নৈতিক, ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক।

নারী তার জৈবিক ও আত্নিক সম্ভাবনাকে পুরুষের সামনে উন্মুক্ত করে মানব প্রজন্মের সিলসিলা অক্ষুণ্ণ রাখার উদ্দেশ্যে, নিজের আত্মিক উন্নতির উদ্দেশ্যে ও এবং দৈহিক ও চারিত্রিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে।

তো এখন, যে পুরুষ বিয়ে করেও ওপরের শর্তগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও পুরন না করে, নারীর ওপর তার কোন অধিকার বলবৎ থাকে না। কারন সে শর্তসাপেক্ষে নেতৃত্ব ও অভিভাবকত্বের হক্বদার। শর্তহীন অভিভাবকত্বের মালিক কেবলই আল্লাহ। বাকি সমস্ত অভিভাবকত্ব ও নেতৃত্ব শর্তাধীন।

তেমনি, নারী যদি তার ওপর বর্তানো দায়িত্বগুলি ঠিকভাবে পালন না করে, সেক্ষেত্রে তার প্রাপ্য হক্বগুলির দায়ভার আর পুরুষের ওপর থাকে না।
This is the equilibrium, equity and justice of personal, conjugal and family life in Islam.

এই বিষয়গুলি না বুঝে যারা বিয়ে করে, তারা বিয়ে করে নিজের জিহবা আর জননাঙ্গের লালসা পুরন করার জন্য। হোক তারা নারী অথবা পুরুষ, ঘুরে ফিরে তাদের গন্তব্য জিহবা আর জননাঙ্গের দিকে, অথবা নিষ্ফল প্রদর্শনে।

এবার ভেবে দেখেন, ওপরে যে ভারসাম্যের কথা লিখলাম, তা সমাজের কয়টা দাম্পত্য সম্পর্কে হাজির?? ইসলামী পরিবার বলেন বা সেক্যুলার পরিবার বলেন, কয়টা জায়গাতে হাজির?? নিজের ভবিষ্যত নিয়ে ভাবেন। বিয়ে যে করবেন, আপনি একটা মানুষের এই প্রয়োজন মেটাতে পারার মত কাবিল হয়েছেন তো?? জিহবা আর জননাঙ্গ তো পশুরও আছে। তার সাথে আপনার তফাৎটা কি??

- Muhammad Sajal

পঠিত : ৮৭ বার

ads

মন্তব্য: ০