Alapon

বাংলা সাহিত্যঃ না বলা কথা

মধ্যযুগের হিন্দু ধর্মীয় পুস্তকাদিকে 'বাংলা সাহিত্য' বলে চালিয়ে দেয়া হয়েছে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন, রামায়ণ, মহাভারত, মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলী এগুলোকে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রথম রচনা বলে ব্রিটিশ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে গজে ওঠা কলকাতার বুদ্ধিজীবীরা গ্লোরিফাই করে থাকে।
অথচ এগুলো বিভিন্ন পূজারী শ্রেনীর ধর্মীয় পুঁথিগ্রন্থ। এগুলো কোনো সাহিত্য নয়। এই রচনাগুলোকে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজারীদের ধর্মীয় পুস্তক বলা চলে।

এরপরও যদি এগুলোকে সাহিত্য বলতে হয় তাহলে মোটের উপর পূজারী শ্রেণীর 'হিন্দু সাহিত্য' বলতে পারেন। কারণ এগুলো বাংলা কিংবা বাঙালি কেন্দ্রিক কোনো রচনা নয়, যেই কারণে এগুলোকে বাংলা সাহিত্য কিংবা বাঙালির সাহিত্য বলা যায় না। বরং পুরোটাই তাদের কথিত দেব-দেবীদের পূজারী ধর্মীয় রচনা।
এগুলোর ভাষা বাংলা ও সংস্কৃতের সাথে মিলে বলে আরো যদি একটু বেশি বলতে চান তাহলে সর্বোচ্চ বলতে পারেন- বাংলা ভাষায় হিন্দু সাহিত্য। এর বেশি কিছু না।

ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে তথ্য উপাত্তসহ বিস্তারিত লেখালেখি করার ইচ্ছা আছে।

মূলঃ শ্রাবণ ইস্পাহানি

পঠিত : ৩৮৪ বার

মন্তব্য: ১

২০২২-১২-১৮ ২২:৩৭

User
করুণাধারা

সাহিত্য বিশারদ

submit