Alapon

পাঠ্যপুস্তকে শকুনের থাবা-০২



"মানবতা-বিধ্বংসী সৃষ্টির বিকৃতি হারাম ট্রান্সজেন্ডারকে স্বাভাবিক করার হীনপ্রচেষ্টা"


হিজড়াদের প্রতি সচেতন ও শিক্ষিত মানুষের সহানুভূতি থাকে। মানুষের সেই সহানুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ট্রান্সজেন্ডারকে এবং সমাকামিতাকে শিক্ষার্থীদের কোমল মনে ঢুকিয়ে দেওয়ার নিকৃষ্ট কাজ করা হচ্ছে। অথচ হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডার এক বিষয় নয়।

হিজড়া। আল্লাহর সৃষ্টি। ইসলাম তাদেরকে সম্মানজনক, স্বাভাবিক ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের অধিকার দিয়েছে। তাদের প্রতি ইসলাম সহানুভূতিও প্রদর্শন করে। তারা ইসলাম প্রদত্ত মৌলিক সব অধিকার পাবে। কিন্তু ছেলে হিসেবে জন্ম নিয়েও নিজেকে মনে মনে মেয়ে ভাবা, কিংবা মেয়ে হিসেবে জন্মগ্রহণ করার পরেও নিজেকে মনে মনে ছেলে ভাবা অত:পর সার্জারি করে মেয়ে বনে যাওয়া কিংবা ছেলে বনে যাওয়া আল্লাহর সৃষ্টির বিকৃতি। যেটাকে ট্রান্সজেন্ডার বলা হচ্ছে। এটি মারাত্মক গুনাহ। হিজড়া আর ট্রান্সজেন্ডার কস্মিনকালেও এক নয়। অথচ পাঠ্য-পুস্তকের মাধ্যমে এই ভয়ংকর অপশিক্ষাটা তথা ট্রান্সজেন্ডারকে স্বাভাবিকীকরণের শিক্ষাটাই আমাদের শিশুদেরকে দেওয়া হচ্ছে। এবং কৌশলে তামাম মানব সভ্যতা বিধ্বংসী, সমাজ বিধ্বংসী, ঘৃণিত সমাকামিতাকেও প্রমোট করার অভিযোগ রয়েছে এই পাঠ্যক্রমে।

একটুখানি ভেবে দেখুন, আপনার সন্তান বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার এই বই পড়ে শিখবে যে, সে আসলে পুরুষ / মহিলা না। সে মনে মনে একজন মেয়ে / ছেলে।

যেহেতু সে আকৃতিতে ছেলে আর মনে মনে মেয়ে, তাই সে ইচ্ছে করলে সার্জারির মাধ্যমে যখন-তখন নিজেকে ছেলে থেকে মেয়ে কিংবা মেয়ে থেকে ছেলেতে পরিবর্তনে করে ফেলতে পারবে। এই বিকৃতি আর অসুস্থতাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত বলে রাখি, লিঙ্গ পরিবর্তন = আল্লাহর সৃষ্টিকে বিকৃতি। এটা হারাম।

অন্যদিকে, হিজড়া = আল্লাহর সৃষ্টি। তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা সাওয়াবেরই কাজ। ছেলে নিজেকে মেয়ে মনে করা = মানসিক বিকৃতি। মানসিক বিকৃতিকে স্বীকৃতি প্রদান করা এবং হিজড়াদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এক নয়।



"পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হয়েছে স্বীকৃত, নিন্দিত ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক এবং হিন্দুত্ববাদী অমুসলিমদের দ্বারা"

বাংলাদেশের ৮৮% মানুষ মুসলিম। তারা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ও রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসে। ইসলাম তাদের হৃদয়ের পরতে পরতে আসন পেতে রয়েছে। এদেশের মানুষ ধর্মপ্রাণ ও আলিমদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। অথচ মুসলমানের সন্তানদের জন্য রচিত পাঠ্যপুস্তকে কোনো আলিম ও ইসলাম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ কোনো আলিমদের উপস্থিতি তো নেই-ই, উল্টো ইসলাম বিদ্বেষী গোষ্ঠীর রমরমা রাজত্ব রয়েছে।

পাঠ্যপুস্তক রচয়িতারা হচ্ছে : সমকামি প্রমোটার পারভীন জলি, নাস্তিক জাফর ইকবাল, হিন্দুত্ববাদী দেবাশীষ কুণ্ড, সন্তোষ কুমার ঢালি ও স্বাধীন সেনদের মতো অধ্যাপকেরা।

পঠিত : ৪২৭ বার

মন্তব্য: ০