Alapon

আমরা যারা তরুণ-যুবা বয়সে ইসলামী আন্দোলন করি



আমরা যারা তরুণ,যুবা বয়সে ইসলামী আন্দোলন করি তারা জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সোনালী সময় ব্যয় করি। জীবনের কত শত গল্পের সাক্ষী হয়ে এই সময়ে আমরা নানা প্রতিকূলতা ডিঙিয়েও এই বন্ধুর পথে অবিচল থাকি।

আমার বন্ধু যখন নানাবিধ মজ-মাস্তিতে ব্যস্ত আমি তখন ময়দানে ইকামাতে দ্বীনের ঝান্ডাবাহী হয়ে ছুটছি পথে-প্রান্তরে। বিক্ষিপ্ত চিন্তার হাতছানি আর ইবলিসের ওয়াসওয়াসা থেকে মুক্ত থাকতে আমাদের থাকে নিদারুণ প্রচেষ্টা।

কিন্তু এসব কিছু ব্যর্থ হতে পারে আমাদের অবহেলায়। গর্ব-অহংকার,প্রদর্শনেচ্ছা আর ত্রুটিপূর্ণ নিয়্যাতের মতো মৌলিক ও অসৎ গুণাবলী,আত্মপ্রীতি,হিংসা ও বিদ্বেষ,কু-ধারণা,গীবত,চোগলখোরী,কানাকানি ও ফিসফিসানী,মেজাজের ভারসাম্যহীনতা,একগুয়েমী,একদেশদর্শীতা,সামষ্টিক ভারসাম্যহীনতা,সংকীর্ণমনতার মতো মানবিক দুর্বলতাগুলো প্রবৃদ্ধি আমাদের সব কর্ম আর প্রচেষ্টা গুণাহে রূপান্তরিত করতে পারে।

নির্ভেজাল নিয়্যাত,চিত্তের পবিত্রতা,দ্বিধাহীন আনুগত্য,কল্যাণকামী পরামর্শ আর ভালোবাসাপূর্ণ এহতেছাব এ আন্দোলনের সমৃদ্ধি আনতে পারে এবং আমাদের বানাতে পারে সোনালী যুগের সোনার মানুষদের মতোন মকবুল আর মুখলিছ। এর অন্যথায় আন্দোলন হারাবে আদর্শিক রূপ আর আমরা হবো জান্নাতী সুধা থেকে বঞ্চিত।

আমরা একসাথে হয়ে একই পথে হাটি। একটি লক্ষ্যপানে ছুটে চলি। পথচলি খেলাফাতে রব্বানী প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালনের প্রচেষ্টায়। মহান রবের অনিঃশেষ রহমত পেলে আমরা নিশ্চয়ই জান্নাতের দিকে এগিয়ে যাব, এগিয়ে যাবই। সিরাতুল মুস্তাকিমের পথ ধরে আমরা পৌঁছে যাব মঞ্জিলে মকসুদের দিকে। হয়তোবা শহীদ হয়ে জান্নাতি পাখি হয়ে নতুবা গাজী হয়ে উড়াবো কালিমার পতাকা।

ইনশা আল্লাহ।

পঠিত : ১৪১ বার

মন্তব্য: ০